| কবিতা | নদীর ধারে শ্মশান কবর |
| কবি | অদিত্য চৌধুরী |
| সময় | ৬জানুয়ারি ,২০২১ |
| লিখার স্থান | মিরপুর ,ঢাকা-১২১৬ |
হতবাক হয়ে তাকিয়ে শেষ দৃশ্য দেখা প্রাচীরের কাক,
নিশব্দতার সেই উচ্চতায় নিস্ব হয়ে আছে পাখিদের
মাধুরী,
যেখানে মিলে যাবে সত্য মিথ্যা অবাস্তব পাহাড়,
সেখানে তোমার দেয়া ধোয়া এসেও পৌছাবে না,
সেথানে আমার লেখা কবিতার কলমের উপর
দোষ চাপানো রক্তপাতও মিশে যাবে অদৃশ্যমান
কৃষ্ণগহ্বরে।
সমাধির সেই ধোয়ায় যখন নদীর পাড়ের মহাকালীন
চলাচল দেখার ইচ্ছায় নদীর স্বচ্ছতা আমার কাছে ম্লান হয়ে যায়,
যখন অনাকাংঙ্খিত রক্তক্ষরণ আকাশের বুকের গোধূলির নামের ভ্রম কেড়ে নেয়,
তখন দৃশ্যমান অম্লজান রূপে তোমার ছবি ডায়েরি থেক বুক পকেটে বোঝাই করে রাখি,
এমনকি জানাজার গোসলের সময়েও এক লোক পকেটে
ছবি দেখে অস্পষ্ট কষ্টের গুমোট কান্নার স্রোতে হারিয়ে গিয়ে
ফেলে দিলো তোমায়,
এখানে আমার আয়নার ঘোলা মেঘ সরে যায় নি,
এখানে তোমার দেয়া কান্নার টেক্কা মেলেনি মগজে
কোথাও।
দিন শেষে যখন আকাশের বুকে প্রজাপতির জানাযা
আমার রূপ ধরে আসে,
রাতে কান্না আসার কারন সমান্তরাল বিশ্বেও অজানা
আলোতে মিলিয়ে যায়,
শকুনের কন্ঠ হতে অজানা কবিতা শুনে আতকে উঠার রীতি সেখানেও রয়েছে,
আজো আমার ফুলের বাগান এলজিয়া ঘিরে রয় নি,
স্বপ্ন মঞ্চ ক্রোনশ বিদ্ধ তবুও মেঘের ছাউনি।