| কবিতা | নৈঃশব্দ্যের গল্পগুচ্ছ |
| কবি | নিলয় রায় |
| সময় | 13/04/2026 |
| উৎসর্গ | আমার বাঁশি |
| লিখার স্থান | বারুইপুর |
| কবিতার বিষয় | আশা, জীবনমুখী, রূপক |
বাঁশিটা বহুদিন বাজেনি আর, বোধহয় নিরুদ্দেশ!
কিরে বাঁশি তুই তুলবি না সুর? ছড়াবি না আবেশ?
সে ধুন সত্যি মেঘমল্লার, শ্রোতার চোখেতে জল-
মনটা সূদুর দ্বীপান্তরে, বিমূঢ় অস্তাচল!
বাঁশি তুই কই, হারিয়ে গেলিরে? লোকে যে অন্য কথা কয়-
বাঁশি বলে হেসে, ‘মানুষও তো হয় বাক্যহারা
খানিকটা বিলম্ব বোধোদয়’.
‘বলোতো কানাই, কি লাভ হয়েছে, হয়ে সেধে পুরোধা?
সেপথে বাড়াতে তাই, মন করে না গো, ধূলি-ধূসরিত পা!’
‘ভেবেছ কানাই? মানুষ ঠিক কখন চুপটি হয়ে যায়?
বেশী বলা মানুষটাও যখন নিশ্চুপ – সত্যিই লাগে ভয়-
কানে কানে বলি, সব নীরবতা নয়কো হিরন্ময়!’
সে নীরবতায় বহু না বলা গল্প আর, অভিমান একঝাঁক-
আবেগটা দলা পাকিয়ে গলাটা রুদ্ধ, বাঁশিটাও নির্বাক!
আবেগের বোঝা না বয়ে মুক্ত, হাওয়াটা-ই বয়ে যাক-
ভাবের ঘরে সিঁধ না কেটে, সময়টা কেটে যাক!