| কবিতা | মানচিত্র |
| কবি | আজিজুল হক |
| সময় | ২৩/৮/২৬ |
| উৎসর্গ | অসংখ্য কবিতা প্রেমিকে |
| লিখার স্থান | কোচবিহার |
| কবিতার বিষয় | জীবনমুখী, প্রতিবাদ, ভারতবর্ষ |
আমি এরপর একটা ধর্মের মানচিত্র আঁকবো,
সেখানে থাকবে কতগুলো জন্তু-জানোয়ারের বসবাস।
ওদের মধ্যে আর যাই হোক
মানুষ নামক কোন বি-জাতীয়,
বিদঘুটে কোন বস্তু থাকবে না।
এই মানচিত্রে
বাঘের কপালে ধর্ম লেখা নেই,
কোনো শেয়ালের গায়ে সাঁটা নেই জাতের বিজ্ঞাপন।
তবু মানুষ,
নিজের চারপাশে দেয়াল তুলে
দেয়ালের নাম রাখে বিশ্বাস!
আর বিশ্বাসের নামে ভাগ করে আকাশ।
আমি সেই দেয়ালে আগুন আঁকবো,
সেই মানচিত্রে টেনে দেবো না কোনো সীমারেখা।
যে রেখা মানুষকে মানুষ থেকে আলাদা করে,
সেই রেখাকে নদীতে ভাসিয়ে দেবো।
এখানে ঈশ্বর – ঈশ্বরীর অস্তিত্ব
পাখির ডানায় ভর করে
বিশ্ব উষ্ণায়নের পরিমাপ করে না
তার ঈশ্বরের পরিচয় হয়ে উঠে
সহিষ্ণুতার মাপকাঠি।
আমি একটা ধর্মের মানচিত্র আঁকবো,
যেখানে রক্তের রং একটাই,
ক্ষুধার ভাষা একটাই,
মৃত্যুর মুখও সবার জন্য সমান।
আর সেই মানচিত্রের নিচে লিখে দেবো,
“জন্তুরা কখনো ধর্ম বানায়নি,
ধর্ম বানিয়ে মানুষই মানুষকে জন্তু করেছে।”
………….. ……….