কবিতা একটি হ্যালুসিনেশন ও অস্থাবর ঘোড়াদের ভোকাল কর্ড
কবি নিমাই জানা
সময় বিকাল ৪টা
উৎসর্গ ২৩ শে জানুয়ারিকে
লিখার স্থান কাঁটাখালী, পূর্ব মেদিনীপুর
কবিতার বিষয় স্বাধীনতা

এক

স্টপ ! স্টপ ! স্পারকি অ্যাবিউজড লেভেল বিহীন পারদের বোতল চাটছে আর্কাইভড বেভারেজ লিভারের রসায়ন শাস্ত্রের ছাল ছাড়ানো ম্যাইপাই কুকুর , হ্যালুসিনেশন ভলিউমে সমবেদনা তন্ত্র গাইছে স্টেথো শ্রবণ সংক্রান্ত গানের উত্তাল স্বরলিপি লোয়ার লিম্বসের আনাচে কানাচে ক্ষয়রোগ ধরে আছে মোমবাতির ডগার মতো সূচিছিদ্র ভঙ্গিমায় , চোখের জল মুছে দেওয়ার জন্য কার্বক্সি মিথাইল সেলুলোজ নামক একটা প্যারাসেনট্রিক নাবিক চতুর্দশ বারের জন্য রানওয়ে পাহারা দিচ্ছে কার্বাইড কারখানার ভুজঙ্গ রক্তের অতি লোহিত অশ্বনাদের তৃষ্ণার্ত হাই টেম্পারড ডলফিন মার্কা সাবমেরিনের রাইট ফ্লাইং স্কোয়াডে নেমে , পৃথিবীতে এতো মানুষ আগুনকে ভাগ করে আগুনকেই পোড়াতে পারে আগুনের মুখাগ্নি করতে পারে আগুনের তৈলাক্ত লিঙ্গ খন্ডটাকেও পোড়াতে পারে আগুন তা তা ধেই ধেই শুক্রপতনীয় নৃত্য গীতির একদল মানুষ নতুন করে তাপ্পি দেওয়া ফরাসের প্রত্যঙ্গ মার্কা বিছানা পাততে পারে তা মৎস্য বিজ্ঞানীকে না দেখলে বিশ্বাস হতো না কস্টিকাম মার্কা ঋষিটির মতো। প্রতিদিন মধ্য দুপুরের পর রাত্রি ঘনিয়ে এলে একটা নন সিলেক্টেড স্ট্রনসিয়াম মার্কা প্যাঁচানো র‍্যাপচার এ আই স্টিলুনিয়াম ইন্টেলিজেন্স সেন্সর দিয়ে লক করা পুরুষ মানুষ নৈঋতে মুখ রেখে প্লাস্টিকের মদের বোতল মদ খাওয়া থার্মো গ্লাস ছেঁড়া জাঙ্গিয়া উলঙ্গ প্যান্টের ফ্রোজেন সোল্ডার আর জেলি মাখানো হাগিসের উদ্ধারকৃত নৈপুূর্ণ মার্কা কঙ্কালগুলো পুড়ে দিতে থাকে নিঃশব্দে , এতো আগুন পরজীবী হলেও পুড়ে দিলেই আগুনের ক্ষুদ্রান্ত্র জন্ম হয় বারবার , কোথায় শুধু বারুদ রাখা থাকে তা জানে এখানের শ্মশানের কর্মচারী ডোম , আগুনও নিজে নিজেই জ্বলে ওঠে নদীর পাড়ে একটা বিশ্বস্ত মানুষ ট্রাই সেমিস্টারের অগ্নিদগ্ধ হাতিয়ারে নীল গুণাঙ্কের অপসৃয়মান গণিতজ্ঞ রোধকে ভিজিয়ে ধোঁয়া জ্বালাচ্ছে আর ক্ষত মুখে ঘষে দিচ্ছে একটা মৎস্য বিজ্ঞানের আঁশ ওয়ালা জরায়ুর চামড়া , পাগলা গারদে নীলামে বাদাম বিক্রি করছে হাড়ের ব্যবসায়ী, হাড় খাচ্ছে লুধিয়ানা শালের কেলভিন ,শালের ভেতরে কোমর্বিরিটি রোগীদের চেম্বার আর চেম্বারের ভেতরে পোস্টমর্টেমের চাকু আর চাকুর ভেতরে দুলছে রক্তের প্যারামিটার মার্কা মিলিগ্রাম পার ডেসি লিটার অভিস্রবণ দক্ষ যজ্ঞকুণ্ডের সুতরাং তাৎপর্য , মৃত মানুষদের জীবাত্মার কথা শোনাচ্ছে নশ্বর বেদবিৎ ডেডবডি

দুই

মোমবাতির কোনদিন ক্ষয় রোগ নেই। মোমবাতি জাগুয়ার মিলিট্যান্স বিমানের মতো উড়তে থাকে মোমবাতি ওষুধের প্লাস্টিক বোতলের ছেঁড়া কম্পাঙ্ক আর গুটকা খোরের নীল মার্কা কারাগার থেকে বেরিয়ে মন্দিরের পেছনে এসে তৃতীয়বার স্বইচ্ছায় ধর্ষিত হচ্ছে , এখানে ডুয়েল কোর প্রসেসর আর ট্যাপের কার্তুজের মুখ টিপলেই পুঁজ মেশানো রক্ত ফিনকি দিয়ে বেরোয় আর হাইড্রোলিক সেতু দিয়ে পেরিয়ে যায় ছোট ছোট উকুনের মার্সিডিজ দল জল থেকে উঠে আসে বাদামী রঙের কার্ভোভেজ সীতা 6× , রক্তের এখানে প্রতিদিন ইরাস্টিসিটি ভেলোসিটি মাপা হয় , কে ওই ছেঁড়া দুর্গন্ধওয়ালা পৃথিবীর ক্ষয় রোগ পোড়াতে পোড়াতে শমীক জঙ্গলে খুঁজে যাচ্ছে ভদগার খালি শিশি আর নিকোলাস সিক্সটিন মার্কা অতি স্থাপত্যের চরণামৃত সংসারের ফলস পা , প্রতিদিন রাতেই ৫০+ ল্যাক অফ লোবিয়া ইস্ট্রোজেনের নদী পেরিয়ে গেলে একটা জিওল রঙের নষ্ট মৎস্য শিকারি চাঁদকে ধরে আনে অশ্লীল আত্মা পাহারা দেওয়ার জন্য , চকচকে ব্লেডে খুন করে গলা কেটে দু'ভাগ করে আবার গলাকেই পাহারা দিয়ে শৌচালয় খুঁজি অথচ শৌচালয়ে ভয়ংকর নদীটা জরায়ু বিক্রির নাম করে করাত কলে দাঁড়ায় , এতো পৃথিবীতে উলঙ্গ ছাই মার্কা সেতুগুলো উড়ে যাচ্ছে কোথায় জড়পদার্থের মতো ব্রাউনিয়ান ট্রানজিস্টরের ইথার আয়োনোস্ফিয়ারে , সারা গায়ে পেরেক গেঁথে দেওয়া গোল্ডেন জিসাসের রথ দাঁড়িয়ে থাকে, উলঙ্গ ঘোড়ার জরায়ু দেখা যায় ডাইনোসরের হাঁ মুখ থেকে ঈশ্বর নেমে আসে আর বনজ স্ব মাংসাশির ঠোঁট গুলো নিম্নাঙ্গ বর্জিত করোটির ভেতরে ঢুকে একাকি মৃতদেহের বাজনা বাজাচ্ছে , ঘুমের ভেতরে একটা অশ্বারোহী নক্ষত্র কিনতে যাচ্ছে লবণাক্ত অসুরের শ্বেত রক্ত পান করে , ব্রহ্মাস্ত্রটা স্বয়ংক্রিয় ,

তিন

সাদা ফসফরাস ভর্তি মোমবাতির মিছিলের পর নাকি সকলের রক্তদোষ এসে গেছে। এখানে নাকি স্টেথোস্কোপের নীল সারফেস টেনশনের গুণিতকের নক্ষত্র গুলো পিতা মহীদের ডেকে ডেকে অনার্য ভঙ্গিতে ইকোস্প্রিনের ওষুধ খায় তথাগত সম্যক অবধূত উস্ট্রাসনে বসে আর লংমার্চের ল্যাম্পপোস্ট গুলোকে ভ্যাপারাইজড কফিনে ঢুকিয়ে পার্লামেন্টের ছিঁচকে অন্দরমহলের প্যারাসিনথেটিক নার্ভ বানাচ্ছে প্রত্যক্ষ কুকুরের জবানবন্দি নিয়ে , প্রাগৈতিহাসিক যুগেরও অস্ত্যর্থক দ্বাপর অবধি রক্তকেই স্পর্শ করতে হয় একাকী স্কেলিটন মার্কা সিঁড়ি দ্বারের নিচে মৃত জরায়ু তন্ত্রের রক্ত দোষের ধমনী গুলো কালো কয়লার ভেতরে অনুর্বর পলল বিক্রি করে , এখনো L5 পাঁজরের পালমোনারি ডিজাস্টার আর সেরিব্রাল ভাস্কুলার নক্ষত্রের যৌন দেশে খালি ওষুধের কিম্ভুত কিমাকার বোতল গুঁজে দিচ্ছে রক্তের দ্রাব্যতার অতিপৃক্ত পোস্টমর্টেম ঘরের জানালা কাঁচে , কালো পলিথিন ব্যাগে নিজেরই খন্ড খন্ড মাংস ভরে দুই হাতে ঘষছি ইটের খয়েরী রক্ত গুঁড়ো, আমার কোন জ য-ফলা আ-কার জীব ও আধুনিক যন্ত্রপাতির জ্যোতিষ শাস্ত্র নেই , জিওল মাছেরা পোষা উনুনে নিজেকেই ৭ ম বারের জন্য গুম খুন করে , রক্তের মতো পরিচ্ছদ বদল করে কেউ কেউ , বেসিনে হাত ধুয়ে ফেলে তড়িঘড়ি মৃতদেহ পোড়ায় , মুঠো ভরে নিয়ে আসে আগুনের গুঁড়ো , রক্তের মতো সারোগেট বালির ভেতরে অতৃপ্ত মানুষ সঙ্গম নিরোধক বিক্রি করছে লুকিয়ে লুকিয়ে, পিত্ত বমি করতেই একদলা মানুষ নক্ষত্র কিনবে বলে পারলৌকিক ঘাটে যায় সকলের পরিচ্ছদে আঁশটে স্পার্ম কোয়ান্টিটি লেগে থাকে বলে এখনো আগুনের ভৌম দেশে একটি কারাগার এখনো নিষ্পাপ বৃক্ষছেদন করছে তামাটে অনুমতি পত্র নিয়ে, জরায়ুবিহীন নাশপাতির মতো এখানে ফাঁসির দড়িটা লকলক করে , সংবিধানের পৃষ্ঠা দিয়ে চা তৈরির উনুন জ্বলে , দণ্ডপ্রাপ্ত লোহা দিয়ে মরচে পড়া তরোয়ালটি পৌণঃপুণিকের সজারুর কাঁটা খায় ফরেন লিকারের তেজস্ক্রিয় জানলা দিয়ে উঠে যায় একদল রক্তবিহীন বিরিয়ানি মার্কা ভেলভেট অসহিষ্ণু রক্তস্রাবী পিপাসার্ত গণিকাদের দল , এসো ৩৫ ডিগ্রির উত্তর স্নায়ু রোগের কুঠুরি , তোমাকে চুম্বকে চাবুকে আরো প্রশমিত করি, উদাত্ত আহিত সংসারের নির্লিপ্ত চাবুকের প্রত্যাশা ঠুকে ঠুকে গণ সম্ভোগের পর চাঁদ ও আমি একাকী সরীসৃপ কাপড়ে দোল খেতে খেতে কেঁচোর মতো শক্ত মাছের আঁশ খুঁজে খাই ,( বলুন জ্বালাই ভদকা খাই মাইসোপ্রোস্টে নীল তীরন্দাজ আঁকি ) , নীল তিমিটা এখনো বৈরাগ্যের হলুদ কাপড় পরে আছে

চার

মাথাবিহীন মানুষদের উদাহরণের নাম বলতেই আমি ঠান্ডা মাথায় ইঁট দিয়ে মুখ থেতলে দিই , আমি ঠান্ডা মাথায় দরজা খুলে উলঙ্গ হয়ে স্বয়ংবর সভার আয়োজন করি, রক্ত ভর্তি সম্রাটকে ডাকি একাকী উলঙ্গ গিটার বাজাই , রাত দুটোতে প্যারানোয়িক চুল্লির মতো জ্বলতে থাকা ইঞ্জিনটার ধোঁয়া দেখি আর অশ্লীল ঈশ্বরীর পোশাক পরিবর্তনের স্নানাগার শয্যাদৃশ্য দেখি, গলায় ঢুকিয়ে দেই উনুনের গির্জা একাকী ব্রহ্মচর্য রক্সিড সন্ন্যাসীর নষ্ট সমুদ্র মৎস বন্দরের ধার ধরে ধরে চিৎকার করে ডাকতে থাকি কালো কালো যুক্তাক্ষর শেখাবো বলে অথচ এখানে হলুদ নব্য তাপে একদল পুরুষ চিহ্নের ধোঁয়ার পাশে সূর্যের অশ্লীল হাড় গুঁড়ো গুলোকে বিছিয়ে দিচ্ছে পলিথিন মার্কা সার কারখানার নিচে , মানুষের নিজস্ব সমুদ্র নেই বলে প্রতিটি শৌচাগারে এক একটা ডটেড এক্সট্রা ভ্যালিয়াম পিল গুলো চাঁদের মতো অত্যাধুনিক চক্রাবৃত কাটতে কাটতে উপবৃত্তের ঠোঁট থেকে নেমে নৃশংস ময়ূরাক্ষী নরক পাহারা দেয় , এসো এসো ১৫ অক্ষৌহিণী অশ্বারোহী অলৌকিক আগুনে বিধ্বংসী কুঠার দিয়ে আমার মাথাটাকে খন্ড করে দাও পৃথিবীর সব টিউবার কিউলোসিস সেরে সেরে নিপাত যাক। আর শিরা রক্তের স্পিডেশন মাপকাঠিটা দলা পাকাতে পাকাতে ঘুটঘুটে মায়াবী কবরখানার কাফনে পুতে দিক একটি রেচনতন্ত্রের অনিয়ন্ত্রিত শর্করা জীবাণু , ১ কেজি পাপের দাম কত হতে পারে হে মেনকা ?
গলা বন্ধ করে দিলে নিঃশব্দে সবাই ঘাতক সেজে হত্যা করে , রাতের নিস্তব্ধ জবাই কারখানার সাইরেন সংকেত বিহীন অ্যাম্বুলেন্সটা একাই কাঁদতে থাকে আদিম কাল থেকে , আমি কার হাতে দিয়ে যাব এ গুহার অনুত্তপ্ত পাথরের শৈল্পিকাকার সুড়ঙ্গের মহা দীর্ঘ চাবি ? যেখান থেকে মৃত তান্ত্রিক ঘোড়াটি উদ্বায়ী হতে হতে ক্রমশ প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যাবে জ্ঞানযোগের নৈসর্গিক রাজযোগ মুহূর্তের পরাশর মুদ্রায় ,
ঈশ্বরটি দ্বাদশ পৃথিবী পরিভ্রমণ করছে দ্বাদশ মহানক্ষত্রের পুলস্ত্য কুণ্ডলী সেজে

guest
0 Comments
Newest
Oldest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments