১.
আমি যা কাজ করি মা সব কাজই তো করো তুমি।
লোকে দেখতে পায় না লোকে ভাবে করি আমি।
আমি যা গান গাই মা সব গানই তো গাও তুমি।
লোকে বুঝতে পারে না লোকে ভাবে গাই আমি।
তুমি ঘরে সন্তান হয়ে আসো তবু জানতে দাও না মা।
তুমি ব্যোম হয়ে বিশ্বকে ছুঁয়ে থাকো তবু চিনতে দাও না মা।
আমি যা কথা বলি মা সব কথাই তো বলো তুমি।
লোকে বিশ্বাস করে না লোকে ভাবে বলি আমি।
— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
২.
শ্যামা মা আমার তারা মা আমার দুর্গা মা।
শ্যামা মা আমার বগলা মা আমার কমলা মা।।
শ্যামা মা আমার সোনা মেয়ে আমার আদরের মেয়ে।
শ্যামা মা আমার বুকের রত্নখনি আমার চোখের মণি।।
শ্যামা মা আমার চিন্তা-ভাবনা আমার বিদ্যা-বুদ্ধি।
শ্যামা মা আমার ঈশ্বরী আমার প্রাণপাখি।।
— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
২৩/১২/২০২৩
৩.
শ্যামা মায়ের আঁচলের তলায় রয়েছে এ পৃথিবী
মা নিজেই আকাশ ইন্দু তপন তাঁর দুটি আঁখি।
অগণিত নক্ষত্র গ্ৰহ উপগ্ৰহ সবই আছে
মায়ের গায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।
মা কত বড় তা সহজ নয় বলা
আকাশ কত বড় তা সহজ কি বলা?
সুরলোক নরকলোক আছে কোথাও মায়ের গায়ে
আমরা মায়ের কাছে থেকে আবার মায়ের কাছে যাই ফিরে।
— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
৪.
শ্যামা মা তোমায় খুঁজতে কেন হিমালয়ে যাবো?
আমার দেহের মধ্যে তুমি আছো
তা জেনেও তোমায় কেন বাইরে খুঁজে মরবো?
শ্যামা মা তুমি আছো আকাশে তুমি আছো পাতালে
শ্যামা মা তুমি আছো অনিলে তুমি আছো আমার হৃদয়ে।
তা জেনেও তোমায় যদি বাইরে খুঁজতে যাই তুমি তো দুঃখ পাবেই।
শ্যামা মা তুমি আছো আমার চোখে আমি দেখি তোমার চোখ দিয়ে।
অমি তোমার চোখ দিয়ে তোমায় দেখবো কীভাবে?
সাধনায় পাবো তোমাকে।
— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
১৮/১২/২০২৩
৫.
শ্যামা মা নিজেই তারা ধূমাবতী ছিন্নমস্তা।
শ্যামা মা নিজেই শ্যাম মহেশ ব্রহ্মা।।
শ্যামা মা নিজেই অম্বর জলধর।
শ্যামা মা নিজেই স্রোতস্বিনী ধরণী।।
শ্যামা মা নিজেই অভয় মহাভয়।
শ্যামা মা নিজেই নিসর্গ স্বর্গ।।
শ্যামা মা নিজেই বগলা কমলা মাতঙ্গী ভৈরবী।
শ্যামা মা নিজেই শূলপাণি চক্রপাণি বজ্রপাণি।।
— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী